২০০০ সালের ইন্টারনেটে

২০০০ সালের প্রথম দিককার কথা তখন ইন্টারনেটে কানেক্টেড হওয়াটা চাট্টিখানি কথা ছিল না। বাসাবাড়ীতে সচল ল্যান্ডফোন থাকতে হত তারপর পিসি তারপর তাতে মডেম থাকতে হত। তারপর মডেম দিয়ে ডায়াল করতে হত তারপর ক্যা কু ক্যা কু শব্দ করে আইএসপির ফোনগুলোতে খালি পেয়ে কানেক্ট হত তারপর আমরা ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করতাম। আমরা তখন ২ কেবিপিএ স্পিড এ ইন্টারনেট চালাতাম। তখন আমাদের ব্যবহার ছিল লিমিটেড। কেননা মিনিট প্রতি ৩ টাকা দিতে হত। আমরা ১৪ বছর আগের থেকে ডিজিটাল ছিলাম। তখন আমাদের এই ডিজিটাল বাংলাদেশকে বলত সাইবার বাংলাদেশ।
২০০০ এর মাঝামাঝিতে ঢাকার চিঠি নামক আইএসপি ১৫০০ টাকা দিয়ে আনলিমিটেড ব্যবহারের অফার দিয়েছিল আমরা সেটি লুফে নিয়ে শুরু করে দিয়েছিলাম এমআরসি চ্যাট, ইয়াহু মেসেঞ্জার, হটমেইল মেসেঞ্জার, আরো অনেক কিছু ছিল। আমাদের অসংখ্য স্মৃতি রয়ে গেছে এই এমএসএন ম্যাসেঞ্জারকে ঘিরে প্রথম ভয়েস চ্যাট ছিল তারপর সংযোজন হয় ভিডিও চ্যাট সুবিধা।
স্কাইপির, ইয়াহু মেসেঞ্জার আরো অনেক মেসেঞ্জারের সাথে টিকে থাকতে না পেরে গতবছর এমএসএন বন্ধ হয়ে গেছে। আজ অনেক কিছু মনে পড়ে গেল। আমরা সামাজিক বন্ধন হিসেবে এমএসএনকে ব্যবহার করতাম। বিদেশে থাকা বন্ধুদের সাথে রাতভর গল্পে কেটে যেত। ডিজিটাল ভালোবাসা শুরু করেছিলাম আমরা অনেকে। আহা সেকি রোমান্টিক দিনগুলি। বড্ড মিস করব সবুজ এমএসএন এর গোল্টু গোল্টু চেহারাটাকে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »